About Me

Niloy Paul

An engineer with a hunger for technology and passion for literature. A mixed bag consisting of all sorts of emotions, lonliness and dreams that I believe, would be full-filled by me somewhere, someday..

Friday, May 23, 2014

বর্ষণও দুপুর ( Bawrshono Dupur )


বর্ষণও দুপুর


টিপ টাপ টুপ,
মন যে কেবল চুপ
ঘনিয়ে এলে আঁধার বেলা,
ভাঙ্গা গড়ার মন্দ খেলা,
দেখছে প্রতিরূপ
তোর কাছে বেসেই ভালো,
থাকনা মিছে দুঃখ কালো
বর্ষণও দুপুর হেসে উঠুক,
মনের যত কান্না মিটুক
আমি ?
আমি না হয় রইব চুপ!


-১২ই জুলাই, ২০১৩

Friday, April 25, 2014

Dust in the wind…

Dust in the wind

Dust in the wind,
Sparrows high above.
The subtlety of dusky evening, long gone.
Left over are the paper cups,
Crushed and abandoned,
With no signs of lip balms.
Just the abundance of you,
In the rain drops and distant horizon.
Yet nothing mentioned
How insignificant we are!
Amongst the birthplace of warmongers,
Amongst the kingdom of preachers.
Lower the blood pressure,
Even lower than atmospheric.
To call by your name
Shivers my pulsating veins!
Deep, deeper, and the deepest grave
Beneath the darkest sky of the race.
Where you lie wide awake
With all the futile tolerances.
Nothing to mind,
Everything to lose.
Psychedelic lights and stony footpaths
Couldn't secure you.
Neither was the holy crowd.
You were brutally raped!
Yes! you were raped with millions of sperms
That oozes out with a promise.
A promise to give birth
A pacific full of demons.
That worldly evening was so fine
When the humid air made you sweat.
Each drop of it sparkled,
As if the colours of spectrum
Kissed you, cuddled you.
Yet it was terribly so wrong.
Even Nostradamus was ashamed
For this bug in prediction.
You slipped away like the paper cups,
Crushed and abandoned every moment.
And as the evening dust in the wind hits,
I find ways to beg forgiveness and tranquility.
As I too ooze the same amount of sperms
With a sense of defeat...

25th April, 2014, 7.25pm – dusky and humid evening with a window seat of a bus and blessings of city traffic.

Sunday, April 13, 2014

মেঘ ( Megh )

মেঘ

মেঘ আজ তফাতে থাকুক অভিমান মুছব আমি
মেঘ আজ আড়ালে থাকুক আহ্লাদ পুষব আমি
স্পষ্ট রোদ তাই আঁচর কাটুক স্যাঁতস্যাঁতে এই মনে
ঘুম পিয়ানো বাজাক স্মৃতি অন্ধ ঘরের কোণে

-৩রা জানুয়ারী,২০১৩। খাতা পেন নিয়ে বসে লেখা নয় এক মেঘাচ্ছন্ন সকালে অফিস বাসে বসে মনে মনে লেখা আর নিজের মনে হেঁসে ফেলা।

যারা বদলাতে পারেনি ( Jara Bawdlate Pareni )

যারা বদলাতে পারেনি

নিশ্চিন্তে সাদা ভাতে হলদে ডাল মাখুন
আমরা মুখে আঙুল গুঁজে রাখব
তাই বলে Dining table-এ বসে
অপসংস্কৃতির অপপ্রচার করবেন না
পরিবর্তিত সংস্কৃতির geometry-টা perpendicularly
কেটে দিয়ে চলে যাবে আমাকে আপনাকে
সেটা অকারণে ব্যাকারনে মেনে নিন please!

- তারিখ মনে নেই (কলিযুগের কোন গুমট সন্ধ্যায় বসে এক নিঃশ্বাসে লেখা। বাপ ও ছেলের ‘আমাদের প্রজন্ম’ নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে)

Thursday, April 3, 2014

অনেক রাতের চিঠি ( Onek Raater Chithi )

অনেক রাতের চিঠি

দ্রষ্টব্য – এটা পড়ে যারা শব্দ, লাইনগুলোকে একটা কবিতার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বলে মনে করবেন না, তাদের রুচির আমি দোষ দেবনা। আপনি না ভাবতেই পারেন, তাতে আমার ব্যবহার করা কোন শব্দই ভিন্ন অর্থ নিয়ে জন্মাবেনা। আমার কিছুই যায় আসেনা তাতে। আমার শুধু আসে যায় ‘তুই’এর ঋতু-ধার্মিক চারিত্রিক পরিবর্তন নিয়ে। এটা আমার ‘তুই’কে লেখা খোলা চিঠি। আপনি সেই ‘তুই’-এর রূপ ধারণ করতেই পারেন, তবে প্রথমে ‘আপনি’ থেকে ‘তুমি’তে নামতে হবে।।


রোজ রাতে আমি দুটো করে কবিতা লিখি মনে,
একটা আমার নামে, আরেকটা তোর দেওয়া ছদ্মনামে,
তার বদলে পৃথিবী দেয় এক বিশ্ব ঘুম।
না ঘুমের ওষুধে আমার আসক্তি নেই,
আছে তোর আদিম ঘামের গন্ধে, শ্বাসনালীর গভীরে।
বহু চেষ্টাতেও আমার ঘুমের গতিবেগের সাথে
মেলাতে পারতাম না তোর প্রাগৈতিহাসিক চরিত্র বদল,
ভেঙেছিল কলম তাই, অস্তিত্বের অভাবে।
তবে আর পারলাম না, খুব নির্জন এই অবসর বিঁধছিল আমায়,
আজ অন্ধকারের গলা টিপে ধরলাম।
রানওয়েতে ধেয়ে যাওয়া একটা বিমানের গতিতে
উৎসর্গ করলাম এই শব্দগুলো।
এটা আমার দ্বিতীয় রিটার্ন ফ্লাইট!
আমি ফিরছি, আবারও ফিরছি, শব্দের গতিতে,
শেষবারটা ছিল ঘন বর্ষা, এখন যদিও দগ্ধ তাপপ্রবাহ।
একটা মাত্র রিকুয়েস্ট, মাত্র একটা, রাখবি?
ঘুমিয়ে পরিসনা প্লিজ!
আমি অনেকদিন ঘুমাইনি, শুধুই ঘুমানোর ভান করেছি।।

-৩১শে মার্চ, ২০১৪, রাত তিনটে বেজে পাঁচ

Saturday, June 1, 2013

উৎসুক ( Utsuk )

 উৎসুক

প্রতিটা ভোর ঠিক কতটা আলো ভরে দ্যায় গাছের পাতায় ?
প্রতিটা ঘুম চোখ ঠিক কতটা স্বপ্ন মুছে ফ্যালে ভোর ছটায় ?
প্রতিটা মানুষ ঠিক কতটা আপোষ করে হিসেব খাতায় ?
বাড়ি ফেরার ভিড়ে নিজের জগতে হারিয়ে অন্তহীন প্রতীক্ষায়।

বেড়ে চলেছে একাকি শহরের রাস্তায়
কার নামহীন ঘুপচি গলির ঝাড়বাতির অন্ধকার,
মায়াবি রাতের নিঝুম আস্তানাকে ছুঁড়ে ফেলে
কারা করছে চুক্তির কারবার ?

নির্বাক ও ঘনীভূত কিছু কুয়াশা করছে আড়াল,
খুব চেনা দুটি মানুষের মধ্যবর্তী শূন্যস্থল।
বেচে দিলেই দিতে পারে ওরা যত চিলেকোঠার কালো আকাশ,
সাবেকি শহরে বুকে থমকে থাকা সময় এভাবেই আয়ু বাড়াক।

প্রতিটা চেহারা ঠিক কি ভাবে লুকোয় অতিতের পাপ ?
চেনা কিছু স্বপ্ন না হয় ঘুমপাড়ানি গল্প হয়েই থাক।
কালবৈশাখীর এক দমকা ঝড়ে উড়িয়ে দিলে চুল,
মুচকি হেঁসে ভেবেই ফ্যালা কোনটা সঠিক ভুল।

প্রতিটা ঘুড়িকে ঠিক কতটা বেঁধে রাখে হাওয়া ?
প্রতিটা দুষিত নিঃশ্বাসে ঠিক কতটা সুখ পাওয়া ?
ওদের ছেঁড়া জিন্‌সে হয়ত তিন পরত ময়লা ধুলোর ভাঁজ,
একদিন দাপিয়েছিল শরীর, ঘেঁটেছিল বালিকার সাজ।
কাটা মন চিবুক, আত্মগোপন ঘন রক্তের দাগ,
শিরোনামের শীর্ষে মিশছে পক্ষপাতীত্য আজ।

শহর তুই তোর মতোই বেঁচে থাক।
শহর তুই, তুই হয়েই বেঁচে থাক।

-নিল
১৮ই এপ্রিল, ২০১৩

Thursday, February 28, 2013

আমি তো বেশ ছিলাম ( Ami To Besh Chhilam )

আমি তো বেশ ছিলাম

অভিমানের নেশায় আমি হুল ফোটাই বার বার,
মেরুন ডাইরি, ভাঙ্গা রঙ পেন্সিল যখনই হারাই আবার।
আমি তো বেশ ছিলাম বেলা অবধি ঘুমিয়ে,
যখনও ডাকেনি ইঁদুর দৌড়, দুপুর রোদ চোখ রাঙিয়ে।
তবুও না হয় সোফায়, আঁচলে মুখ লুকিয়ে,
সেই আমি বেশ ছিলাম বেলা অবধি ঘুমিয়ে।
আবছা আলোর সুচ, অল্প পারদের শিশিরে,
ছাদের উপর ক্রিকেট নিখোঁজ আমার গভীরে।
এখন ফুল স্লিভের আড়াল, সাদা কালোর ঢেউ,
লাজুক দশ আঙুলের ঘাম অদৃশ্যে মাপছে কেউ।
ভাঙলে ভয়, ইচ্ছে হয়, ভাবি হাতঘড়িটা থামিয়ে,
গোপনে দেবো ডুব, উঠবো আবার বেলা অবধি ঘুমিয়ে।
অসাড় আমিও নই, তাই পুষছি নতুন সই, পকেট চালাই,
শরীর কবর চেয়ারে, কোন অযৌক্তিক আত্ম ব্যাথা ছাড়াই।
এই জল রঙ দিয়ে আঁকা দিন, লুপে ফেলেই চলছে নাটক,
ঠুনকো আমার রাজপ্রাসাদ, ভুল ঠিকানায় আমি আটক।
সোম টু শুক্র অঙ্কের কালিতে এভাবেই ক্যানভাস আঁকি,
স্টেপ জাম্পের স্বভাবে স্বেচ্ছায় ধরা দিচ্ছে ফাঁকি।
সবার দেহ চলছে রোজ হারানো বিপ্লব মারিয়ে,
আমি আমার বিপ্লব আনবই একদিন, একটু শৈশব ফিরিয়ে।
আমি তো বেশ ছিলাম বেলা অবধি ঘুমিয়ে...

-নিল
২৩শে ফেব্রুয়ারী, ২০১৩

Tuesday, January 22, 2013

আমি এক, আমি দুই ( Ami Ek, Ami Dui )

আমি এক, আমি দুই

এক মহাযুগ ধরে অন্ধ রাত জেগেছি,
আমি পিচ রাস্তার কালো পাথর খুঁটে দেখেছি,
কোথাও খুনের Modus Operandi খোদাই নেই।
কোলবালিশে হারানো ঘুমের তিব্র যন্ত্রণায়
এপাশ আর ওপাশ ফিরে বারোর নামতা পড়েছি।
বারে বারেই ভেসে এসেছে মেকি কান্নার আওয়াজ,
কুত্তার লাশ আর খুনির ঘামের গন্ধে বাড়ন্ত মস্তিষ্কের পচনশীল প্রগতি।
তাই Painkiller-এর মতো গিলে খাচ্ছি প্রাক্তন প্রেমিকার Frame-হীন কিছু ছবি।
তার ঝোরে পড়া বদরক্ত কখনও দেখেছি লাল, কখনও খুব কালো।
এরপর কেমন যেন জতুগৃহের মধ্যেই ঘুরপাক,
তবুও সে সব রাত শত অজুহাতেও আমার কাছে অসমাপ্ত,
চরিত্রায়ন হলেও, উপসংহার লেখা হয়নি কখনও।
এভাবেই ঘন্টাখানেক চলত আমার এই Hallucination,
অল্প আলো ফুটলেও আমার আমি বেশ নীরব।
মাদকতার নামে পুষছি এক দ্বিখণ্ডিত স্বত্যাকে,
রাতের শত পাপের ফলাফলের মাঝেও আমি যেন একটু হলেও ভালো।

-নিল
৩১শে ডিসেম্বর, ২০১২

Friday, November 23, 2012

চিঠি আসে রোজ ( Chithi Ashe Roj )

চিঠি আসে রোজ


গিটারের শুকনো তার চেপে ধরা কিছু ভোঁতা আঙুল,
রঙ ছড়িয়ে হঠাৎ বাঁধনহীন কিছু শুকনো চুল,
গন্ধ মাখে, আজও ডাকে অন্ধ রাতের ইশারায়।
আড়ালে থাকে আমার সাথে ‘আমি’ আর পথচলতি ধূলোবালি।
ফেরবার বেশে আমি সাজি রোজ, তলিয়ে যাই অবচেতনায়,
রাস্তা বাঁক নিয়ে হারিয়ে ফেলে চুপিচুপি, অগত্যা শুরুতেই ফিরি।
তবুও তোর চিঠি আসে রোজ, শব্দে, সুরে, ইতিহাসে,
ভোরের কাঁচে শিশির গন্ধের সাথে উড়িয়ে দিয়ে
নিশ্চিন্তে পূব প্রান্তের দিকে তাকিয়ে জল ঢালি।
সদ্য পাওয়া ভালোবাসায়, Perfume-এর তীব্র নেশায়
সব স্বপ্ন অঙ্ক খাতায় পোষা থাকে অস্থিরতায়।
মাসের শেষে Payslip-এর আড়ালে চাপা থেকে যায়
তুই, তোর ডাকনাম, আর তোর বেশে নেমে আসা ইশারায়।
তোর শহর আছে কেমন তার খোঁজ রাখিনি বহুদিন,
ধর্ম বিভেদ ভুলে আজও কি ‘তুমি’-কে মানতে শিখেছে?
নাকি Indus Maya সভ্যতার মতো ধ্বংসের প্রতিরূপ দেখছে?।
প্রশ্নের জাল আজও বুনে চলেছি, অযৌক্তিক কিছু উত্তরের আশায়।
জানি পাবোনা উত্তর তোর চিঠির ভেতর, খাম বন্দি নিস্তব্ধতায়।
বয়স তাই বেড়েছে অল্প হলেও, গিটারটাও বুড়ো,
পাঁচটা বছর আলতো হাতে হঠাৎ কেউ যেন কেড়ে নিল।
তাও সেজে চলি প্রতি বিকেলে, ট্রেন ধরার সুপ্ত ইচ্ছেয়,
ছুটির ঘণ্টা বাজলে কখনও, দেখতে পাবি তোর চেনা ঠিকানায়
আবার আমায়, হৃদয় অলিন্দে – ইতি নিলয়...
-নিল

১০ই নভেম্বর, ২০১২
Photo Courtesy (Guitar) : Abhishek Mitra

Tuesday, September 11, 2012

গ্রহ ( Groho )

গ্রহ

মাইলের পর মাইল খালি
গ্রহ বুক চিরে কাতর আর্তনাদ
ধুধু প্রান্তরে পরে রয় আদিম ধূলিকণা
বালুঝড় বয়ে আনে তার নোনতা স্বাদ

গাল বেয়ে শুধু নেমে আসে প্রতিবিম্ব
একের পর এক ঠুনকো আশ্বাস
তবু চাপা থেকে যায় প্রলেপের আড়ালে
কবর নিচে জমে ভেজার বিশ্বাস

তাই গ্রহ খোঁজে প্রাণ অকুলান
লাগলে ছোঁওয়া হিমেল হাওয়ার
বন্ধ্যা মাটি তবু দ্যায় না জন্ম
অপত্যহীন শোকে ভাসিয়ে দেওয়ার

পরে থাকে মিছিমিছি কিছু ভিত্তিপ্রস্তর
ভাঙ্গা গড়ার যোগফল হয় শূন্য
গড়ার প্রয়াসে লেগে যায় মন্দা অর্থনীতি
গ্রহ মুছে স্বপ্ন খোঁজে শরীরী পদচিহ্ন

-wbj
21‡k Ryb, 2012